সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

করোনাভাইরাস: কোথা থেকে এসেছে, কিভাবে ছড়ায়, কতটা ভয়ংকর, চিকিৎসা কী?

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে চীনসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে যে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে - তাতে এ পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, সংক্রমিত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪শ লোক। ভাইরাসটি কোন একটা প্রাণী থেকে মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়াতে ছড়াতে আবার নিজের জিনগত গঠনে সবসময় পরিবর্তন আনছে - যাকে বলে মিউটেশন। তাই এ ভাইরাস হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যে আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, এমন আশংকা রয়েছে। কিন্তু এ ভাইরাসটির প্রকৃতি এবং কিভাবেই বা তা রোধ করা যেতে পারে - এ সম্পর্কে এখনো বিজ্ঞানীরা বিশদভাবে জানার চেষ্টা করছেন। সার্স বা ইবোলার মতো নানা ধরণের প্রাণঘাতী ভাইরাসের খবর মাঝে মাঝেই সংবাদ মাধ্যমে আসে। এই করোনাভাইরাস তার মধ্যে সর্বশেষ। কিন্তু এটি কি আজ-আছে-কাল-নেই ধরণের কোন ভাইরাস? নাকি এটা তার চেয়ে অনেক বেশি বিপদজনক? করোনাভাইরাস কী এবং কীভাবে ছড়ায়? করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায় নি। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৭টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। ...

জাতীয় করোনা ভাইরাস: মিরপুরে ভবন লকডাউন

মিরপুর ঢাকা:  রাজধানীর মিরপুরে উত্তর টোলারবাগের একটি বাসায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর পরিবার থাকায় পুরো ভবনটি লকডাউন করা হয়েছে। একইসঙ্গে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনটি নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ। ওই ভবনের বাসিন্দাদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞাসহ আশপাশে জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আইইডিসিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ভবনের বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বাসিন্দাদের কেউ যেন বের হতে না পারেন, সেজন্য এবং ভবনটিতে বাইরে থেকে কারও প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি চলছে। সূত্র জানায়, ভবনটিতে করোনা ভাইরাস পজেটিভ একজন ব্যক্তি ছিলেন। ফলে ওই ব্যক্তির পরিবারসহ ভবনটির বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে আইইডিসিআর। এছাড়া ওই ভবনে সদ্য কানাডা ও জাপান থেকে আসা কয়েকজন প্রবাসী রয়েছেন।

প্রতিটি ব্যর্থতার মাঝে লুকিয়ে থাকে সাফল্যের বীজ!

প্রতিটি ব্যর্থতার মাঝে লুকিয়ে থাকে সাফল্যের বীজ! হেনরি ফোর্ড একজন অশিক্ষিত এবং দরিদ্র মানুষ ছিলেন কিন্তু স্বপ্ন দেখতেন অশ্ববিহীন একটি বাহনের যার সাহায্যে মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারবে। সঙ্গে যেসব যন্ত্রপাতি ছিল তা নিয়ে তিনি কাজে নেমে গেলেন কবে সুযোগ আসবে তার অপেক্ষা করলেন না আর আজ তার স্বপ্নের ফলাফল গোটা পৃথিবী বাঁধা পড়েছে একটি বন্ধনীতে।   টমাস এডিসন একটি বাতির স্বপ্ন দেখতেন যা চলবে বিদ্যুতে। তিনি নিজের স্বপ্ন নিয়ে শুরু করে দিলেন  এবং কাজ করতে গিয়ে তিনি দশ  হাজারের বেশি সময় ব্যর্থ হয়েছেন ।এত ব্যর্থতা সত্ত্বেও তিনি এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে তবেই বিরত হলেন। বাস্তববাদী স্বপ্নচারীরা কখনো হাল ছাড়েন না । কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসদেরকে স্বাধীন করার স্বপ্ন দেখতেন লিংকন এবং স্বপ্নের বাস্তবায়নে তিনি নেমে পড়েন। উত্তর এবং দক্ষিণ এর মাঝে বন্ধন স্থাপনের দৃশ্যটি তিনি দেখে যেতে পারেননি বটে তবে ক্রীতদাসরা তারই কারণে শত বছরের বন্দিদশা থেকে মুক্তি লাভ করেন।  রাইট ভাতৃদ্বয় এমন এমন একটি যন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন যা আকাশে উড়বে তাদ...